Category: তন্ত্র-অশরীরি

বিসূচিকা রাক্ষসী মন্ত্র

বিসূচিকা রাক্ষসী মন্ত্রঃ হিমাদ্রেরুত্তরে পার্শ্বে কর্কটি নাম রাক্ষসী। বিসুচিকাভিধানা সা নাম্মান্থায় বাধিকা।। হিমালয় পর্বতের উত্তর পার্শ্বে কক’টি নামে যে রাক্ষসী বাস করে তাকেই বিসুচিকা রাক্ষসী বলা হয়। এর অপর নাম অন্যায় বাধিকা।

পেত্নী ঝাড়ন মন্ত্র

পেত্নী ঝাড়ন মন্ত্রঃ ফুল ফুল ফুলি পিশাচী। বলি তোরে শুন সর্বনাশী। ধরিস তুই কত বল। ছাড়িস না কেন এই স্থল। আমার মান্য যদি রাখিবারে চাও। ঝটিতি করিয়া তুই কৈলাসে যাও।। কার আজ্ঞে? কামাখ্যা মায়ের আজ্ঞে।। কার আজ্ঞে? হাড়ির ঝি চণ্ডীর আজ্ঞে।। পেত্নীতে পাওয়া রোগীর কাছে বসে উক্ত মন্ত্র একুশবার বলতে...

ডাইনী ঝাড়ন মন্ত্র

ডাইনী ঝাড়ন মন্ত্রঃ বিল্বর বিলি শিবের ঝুলি দন্ত সে ব্রক্ষার। ডাইনী দৃষ্টি করে ছেলে মন্ত্র পড়ি সার।। বিধির দন্ত রামের কোদন্ত আর হরের শুল। টানিয়া ছিঁড়িয়া তার তুলে দিল মূল।। দেখিয়া তিনের কাণ্ড ডাইনী ছিল যত।। হ্রীং রাং বৗজ মন্ত্রে ঝাড়নেতে হ’ল সব হত।। কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী, চতুদর্শী বা অমাবস্যায়, শনি...

বিসুচিকা রাক্ষসী মন্ত্র

বিসুচিকা রাক্ষসী মন্ত্রঃ মন্ত্রঃ-ওঁ হ্রীং হ্রাং রীং রাং বিষ্ণুশক্তয়ে নমঃ। ওঁ নমো ভগবতী বিষ্ণু শক্তিমেনাং। ওঁ হর হর নয় নয় পচ পচ মথ মথ উৎসাদয় উৎসাদয় দূরী কুরু স্বাহা। হিমবন্তং গচ্ছ জীব সঃ সঃ সঃ। চন্দ্রমণ্ডলগতেহসি স্বাহা। ইতি মন্ত্রং মহামন্ত্রং ন্যস্য বাম কারোদিরে। মার্জযেদাতুরাকারং হস্তেন হস্তেন সংযুতঃ। হিমশৈলাভিমুখ্যেন বিদ্রুতাং তাং...

ডাইনী ঝাড়ন ধূলা পড়া মন্ত্র

ডাইনী ঝাড়ন ধূলা পড়া মন্ত্রঃ হরেকৃষ্ণ ব’লে মারিলাম ধূলাপড়া।। সীতারাম নামে করবো আমি তোরে ছাড়া।। ব্রক্ষা শিব দেবগণ আদি যত আছে। ধূলা লইয়া আসে তারা ডাইনের কাছে। কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে রাম রাম। উম্‌কার তোমরা কেউ হ’য়ো নাকো বাম।। দিলাম ছু’ড়িয়া এই হ’লো ধূলা বাণ। বুকে লাগি উলে তোরে দিব...

ধূলা পড়া মন্ত্র

ধূলা পড়া মন্ত্রঃ ওঁ নমো প্রেতহর ভগবতে রক্ষ রক্ষ শ্রাবয় শ্রাবয়। নীলপালকরান্তোজে বন্ধ বান বন্ধ শান।। খরশান রুদ্রবন্ধন জৈরব বন্ধন। প্রেতবাণ চারিদেকে বন্ধন।। দশদিক্ বন্ধন আকাশ পাতাল। উত্তর দক্ষিণে সর্ব্বদিশা বন্ধন।। পূর্ব্ব পশ্চিম কাল গোরক্ষের আজ্ঞা। ভূত পুড়াইয়া করিলাম ছারখার।। কার আজ্ঞে? সিদ্ধগুরু শ্রীরামচন্দ্রের আজ্ঞে। হাতে কিঞ্চিৎ ধুলা নিয়ে উক্ত...

পেঁচো ঝাড়ান মন্ত্র

পেঁচো ঝাড়ান মন্ত্রঃ কি কর বসিয়া বাবা ঘরের ভিতর। আমার এক কথা তুমি মন দিয়া ধর।। এ যে বালক তুমি কয় জরশন। তব কৃপা ভিন্ন ইহার নিশ্চিত মরণ।। বটবৃক্ষ হইতে তুমি চাহিয়া যে দেখ। লয়াল ঠাঁকুর তুমি বালকেয়ে রাখ।। শুনিয়া এতেক বাণী ঠাঁকুর তখন। কৃপা করি মন্ত্র তিনি করেন উচ্চারণ।...

ধূনা পড়া মন্ত্র

ধূনা পড়া মন্ত্রঃ ধুনার মহিমা কিছু না যায় বর্ণন। যাহা পাইয়া দেবগণ আনন্দিত হন।। এ হেন ধুনার গুণ কে বর্ণিবারে পারে। এ ধনাপড়ায় তাবৎ রোগ হরে।। সেই ধুনা হাতে ল’য়ে নরসিংহ গোঁসাই। পড়িছেন আনন্দে প্রেত নাই প্রেত নাই।। বন্ধন আকাশ পাতাল উত্তর দক্ষিণ। কোথায় রহে ভূতো না জানি কখন।। অমুকের...

ভূত ঝাড়া মন্ত্র

ভূত ঝাড়া মন্ত্রঃ সুতা কাটেন বনে রাম কু’ড়েতে বসিয়া। হেনকালে কয়েক ভূত আসিল ছুটিয়া।। লক্ষ্মণ বলে বাড় সাড় ওরে ভূত কাল। মারিব বাণ তোরে সামাল সামাল।। ভূত গোছড়া ছাড় গোড় ভেঙ্গে করলাম চুর। পালারে ভূত তুই না হইল আর স্থির।। আপন গুণেতে তুই কত হইস বড়। কটিতে করিয়া তুই অমুকের...

জল পড়া মন্ত্র

জল পড়া মন্ত্রঃ আরুং মারুং ভূতনাথের পদ সার। ভূত পেন্তী যে ধরেছে যাবে ছারখার।। তাহে শূলী শম্ভুর মন্ত্রপূত তোয়া। ছাড় ওরে ভূতো ভুতি মাথা তোর নোয়া। সপ্ত ক্রোশ ছাড়ি যা রে গুরুর আজ্ঞায়। রাম লক্ষ্মণ দুই ভাই অমুক ঝাড়য়।। একটি নতুন মাটির ঘট নিয়ে তিন আঙ্গুলে করে পুকুর থেকে জল...

error: Content is protected !!