Category: রোগ ব্যাধি

মাথা ব্যথা দূর করার তদবীর

মাথা ব্যথা দূর করার তদবীরঃ “লা ইউছাদ্দাউনা আনহা ওয়ালা ইউনযেফুনা” মাথা ব্যথা হলে উল্লেখিত আয়াতটি তিনবার পাঠ করে মাথায় ফুঁ দিলে ইনশা আল্লাহ মাথা ব্যথা দুর হয়ে যাবে।

মাথা ধরা দূর করার তদবীর

মাথা ধরা দূর করার তদবীরঃ “ইন্না্ল্লাযীনা আমানু ওয়া আমেলুচ্ছালেহাতে” উল্লেখিত আয়াতে কারিমা এক টুকরা কাগজে লিখে মাথার চুলের সাথে বেঁধে দিলে ইনশাআল্লাহ মাথা ধরা ছুটে যাবে।

কানের ব্যথা বা কান পাকা নিরাময়ের তদবীর

কানের ব্যথা বা কান পাকা নিরাময়ের তদবীর কানের ব্যথার জন্য কৃষ্ণ জিরার তৈল (কাল জিরার তৈল) সামান্য গরম করে কানে দিলে কান ব্যথা নিরাময় হয়। আবার মহাভর (মিঠা তিলিয়া বা বিচনাক) রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে উক্ত পানি ছেকে নিয়ে সামান্য গরম করে তিন ফোটা ঔষধ কানের ভিতর দিতে হবে...

হাম রোগের তদবীর

হামের তদবীর হাম বা লুতি উঠলে, কলমী শাক অথবা তুলশী পাতার ঝোল তৈরী করে রোগীকে কিছুদিন সেবন করালে এ রোগের আরাগ্য হয়ে যায়।

দৃষ্টি শক্তির দুর্বলতা দুর করার তদবীর

দৃষ্টি শক্তির দুর্বলতা দুর করার তদবীর সাদা পেয়াজের রস মধুর সাথে মিশ্রিত করে চোখে লাগালে অথবা পানির সাথে শুন্ঠি আদা মিলিয়ে চোখে লাগালে চোখের দুর্বলতা দুর হয়ে যায়।

বসন্ত রোগের তদবীর

বসন্ত রোগের তদবীর যদি কারো বসন্ত রোগ হয় তাহলে দুই চা চামচ কলমী শাকের রস গরম দুধের সাথে গুলিয়ে কয়েকদিন সেবন করলেই, এই রোগ হতে ‍মুক্তি লাভ হয়। ইনশা আল্লাহ বসন্ত রোগ আর হবে না।

দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে পাওয়ার তদবীর

দৃষ্টি শক্তির দুর্বলতা দুর করার তদবীর জাফরান, কর্পূর ও মিশ্রি এ তিন প্রকার দাওয়াইকে সমপরিমাণ নিয়ে পিঁসে সুক্ষ্নভাবে মিলিয়ে সুরমার মত করে চোখে লাগালে চক্ষুর যাবতিয় দুর্বলতা দুর হয়ে যায়।

রাতকানা রোগের ইসলামী তদবীর

রাতকানা রোগের ইসলামী তদবীর এক ছটাক হরিতকি থেতো করে এক কেজি পানিতেত ভিজায়ে রেখে সে পানির দ্বারা প্রত্যহ ৩/৪ বার চক্ষু ধৌত করলে রাত কানা রোগ ধিরে ধিরে আরোগ্য হয়।

রাতকানা রোগের তদবীর

রাতকানা রোগের তদবীর খাঁটি গরুর দুধের ঘী জোগার করে তার সাথে সামান্য একটু গরুর দুধের দই মিশিয়ে খুব করে মাখবে তারপর রাতে উক্ত ঘী মাথার তালুতে মালিশ করবে। এভাবে কয়েকদিন মালিশ করলেই রাত কানা রোগ হতে আরাগ্য পাবে।

রাতকানার চিকিৎসা

রাতকানার চিকিৎসা মানকচু কুচি কুচি করে কেটে রোদে শুকিয়ে চুর্ন করবে এবং তা ডালের মত কিছুদিন পাক  করে খেলেও রাতকানা রোগ দ্রুত আরাগ্য হয়।

error: Content is protected !!