Category: পুষ্টি তন্ত্র

স্মরণ শক্তি ও এলেম বৃদ্ধির তদবীর

স্মরণ শক্তি ও এলেম বৃদ্ধির তদবীরঃ- ক) কাহারও স্মরণ শক্তিহীনতা থাকিলে এবং তজ্জন্য বিদ্যা শিক্ষায় ব্যাঘাত ঘটলে নিম্নের আয়াত দ্বারা সাত দিন পর্যন্ত তাহাকে পনি পড়িয়া খাওয়াইবে। আল্লাহর রহমতে তাহার স্মরণ শক্তি বৃদ্ধিত হইবে। দৈনন্দিন নে নূতন নূতন এলেম শিক্ষা লাভ করিতে পারিবে। খ) নিজে প্রত্যেক নামাজের বাদে ইহা একুশ...

মেধা শক্তি বৃদ্ধির তদবীর

  মেধা শক্তি বৃদ্ধির তদবীরঃ- প্রত্যেহ ফজরের নামাজের বাদে নিম্নের আয়াত সাতবার পড়িয়া পানিতে সাতটি দম করতঃ সাতদিন পর্যন্ত ঐ পানি পান করিবে এবং কিছু পানি মাথায় দিবে। উচ্চারণঃ- রাব্বিশ রাহলী ছাদরী ওয়া ইয়াস সিরলী আমরী ওয়াহলুল  উক্কাদাতাম মিল্লিসানী ইয়াফক্কাহুকাওলী।

প্রখর জ্ঞান বুদ্ধি লাভের তদবীর

প্রখর জ্ঞান বুদ্ধি লাভের তদবীরঃ সর্বদা ফজর ও মাগরিবের নামাজের বাদে নিম্নের আয়াত শরীফ সাতবার পাঠ করিয়া বক্ষের উপর সাতটি দম করিবে, ইহাতে আল্লাহর অনুগ্রহে অসীম জ্ঞান বুদ্ধির অধিকারী হইবে। উচ্চারণঃ-রাব্বিশরাহলী ছাদরী ওয়াইস সিরলি আমরি ওয়াহলুল  উক্কদাতাম মিল ল্লিসানী ইয়াফক্কাহু ক্কাওলী

বিপদ ‍মুক্তির তদবীর

 সকল প্রকার বিপদ আপদ হতে রক্ষার তদবীর যাবতীয় বিপদ হতে উদ্ধার পেতে নিম্নের তদবীরটি অনেক বেশি কার্যকারি, প্রথমে যে কোন দরুদ শরীফ ২১ বার পাঠ করবে, এরপর “ইয়া লাতিফু” ১০০১ ( এক হাজার এক বার) পাঠ করবে তারপর পূনরায় দরুদ শরীফ ২১ বার পাঠ করবে। শেষে আল্লাহর নিকট দুহাত তুলে...

আয়ু বৃদ্ধির তদবীর

আয়ু বৃদ্ধির তদবীর প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে ফজর ও মাগরিব নামাজের পর নিম্নলিখিত আয়াতে কালাম তিনবার করে পাঠ করলে আয়ু বৃদ্ধি হয়, অপমৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা শত্রুর শত্রুতা হতে মুক্তি সেই সাথে সকল শত্রুর উপর প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব। কালামঃ সুবহানাল্লাহি মিল আল মীযানি ওয়া মুনতাহাল ঈলমি ওয়া মুবাল্লিগার রিদ্বা ওয়া...

স্মরণ শক্তি বৃদ্ধির তদবীর

স্মরণ শক্তি ও মেধা বৃদ্ধির তদবীর প্রতিদিন ফজর নামাজের পর নিম্নলিখিত আয়াতে কারীমা ৩১ বার পাঠ করলে স্মরণ শক্তি অত্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। কালামঃ ক্বালা রাব্বিশরাহলী ছাদরী। ওয়া ইয়াসসিরলী  আমরী। ওয়াহলুল উক্বদাতামমিললিসানী। ইয়াফক্বাহু ক্বাওলী।

স্বাস্থ্য রক্ষা ও যে কোন রোগ ব্যাধি হইতে আত্মরক্ষার তদবীর

কেহ নিম্নের দোয়াটি তিন লক্ষ বার পড়িয়া শেষ করিলে তাহার পরে সমগ্র জীবনে আল্লাহর রহমতে তাহার কোন ব্যাধি হইবে না বরং সর্বদা অনঢ় স্বাস্থ্য বজায় থাকিবে। **ইয়া হাইয়্যু হিন ফি দাইমুমিয়্যাতি মুলকিহি ওয়া বাক্কাইহি ইয়া হাইয়্যু** মানুষের বা অন্য জীবের যে কোন প্রকার ব্যাধিই হউক না কেন অজু করিয়া পাক...

আগুনে পোড়ার তদবীর

শরীরের কোন স্থান বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পুড়িয়া গেলে কিংবা গরম তেল গরম পানি ইত্যাদি লাগিয়া উত্তাপে ফোস্কা পড়িলে নিম্ন লিখিত আয়াত পড়িয়া ফু’ক দিলে খোদার রহমতে উহার জ্বালা পোড়া ও জখম ইত্যাদি ভাল হইয়া যাইবে। আগুন নিবাইরার তদবীরঃ **কুলনা ইয়া না রু-কু-নি বারদাওঁ সালামান আলা ইব্রাহীম **

গলা হইতে মাছের কাঁটা খুলিবার তদবীর

গলায় যেই খানে কাঁটা আটকাইবে সোজা বাহির হইতে আঙ্গুলী বুলাইতে থাকিবে এবং নিম্নোক্ত কালাম পাঠ করিতে থাকিবে। **ফালাওলা ইজা বালাগাতিল হুলক্কুল।**

পাগলা কুকুরের বিষ নষ্ট করার তদবীর

“ওয়া ইযা বাতাশ তুম বাতাশ তুম জাব্বারীনা” উক্ত দোওয়াটি পাঠ করে ঘর হতে বের হলে পথে বা কোন গৃহে যদি সাপ বা বিশাক্ত কিছু থাকে তা চলে যায় পথ হতে কুকুর ও হিংস্র প্রানী দুর হয়ে যায়।

error: Content is protected !!