ভৃত্য বশীকরণ

ভৃত্য বশীকরণঃ

যদি কোনও কর্মচারী ব্যবসার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়, কিন্ত্র সে নিজের মালিকের বিরুদ্ধ আচরণ করতে থাকে, তাহলে এইরুপ ব্যক্তির মতি পরিবর্তন করে নিজের অনুকূলে রাখার জন্য নিম্নলিখিত বিধি প্রয়োগে অত্যন্ত কার্যকারী হয়। কৃ্ঞ্চপক্ষের চতুর্দশীতে প্যাঁচার সাতটি পাখা নিয়ে অর্ধরাত্রিতে স্মশানে যাবে এবং সেখানে কোনও জ্বলন্ত চিতার আগুন নিয়ে পালকগুলি পুড়িয়ে ছাই করে নেবে। এবার সেই ছাই কোনও পাত্রে সুরক্ষিত করে রাখবে। পরে নিজে চিতার কাছে পূর্বমুখে বসে, ছাইয়ের পাত্রটি নিজের সামনে রেখে, নিম্নলিখিত মন্ত্র ২১১৬ বার উচ্চারণ করবে ও প্রত্যেক বার মন্ত্রচ্চারণ করে ছাইয়ের পাত্রে ফুঁ দিতে থাকবে।

মন্ত্র- “ওঁ নমো উড্ডামহেশ্বরায়, নমঃ চঞ্চলায়, নমঃ লক্ষ্মী বাহনায়, ঠং ঠং ঠং হন হন হন ‘অমুকস্য’ বুদ্ধিং মে অনুকূলং কুরু কুরু স্বাহা।”

উপরোক্ত বিধিতে ছাইকে অভিমন্ত্রিত করে, ছাইয়ের পাত্রটি নিয়ে ঘরে ফিরে আসবে। এই ছাইকে যে প্রতিকূল স্বভাবযুক্ত কর্মচারী বা সেবকের মাথায় অর্থাৎ কপালে দেবে, সেই ব্যক্তি অনুকূল হবে।

উক্ত মন্ত্রে যেখানে ‘অমুকস্য’ শব্দটি আছে, সেখানে যাকে বশ করতে হবে, তার নাম উচ্চারণ করতে হবে।

You may also like...

error: Content is protected !!