জ্বিনের উপদ্রপ হতে মুক্তির তদবীর

জ্বিনের উপদ্রপ হতে মুক্তির তদবীরঃ

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, হাযা কিতাবুম মিম মুহাম্মাদির রাসুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন ইলা মাই ইয়াত্বরুকা লিদারিম মিনাল আম্মারি ওয়ার রুজাওয়াজি ওয়াল ত্বারিকাই ইয়াত্বরুকু বি খাই রিন। আম্মা বা’দু ফাআনা লানা ওয়া লাকুম ফিল হাক্কি সাআতুন ফাইন কুনতা আশিকান মাওলাআন আও ফাজিরান মুক্বতাহিমান, ফাহাযা কিতাবুল্লাহি ইয়ানত্বিকু আলাইনা ওয়া আলাইকুম বিল হাক্কি ইন্না কুন্না নাসতানসিখু মা কুনতুম তা’মালুনা ওয়া রুসুলুনা ইয়াকাতুবুনা মা তামকুরুন। উতরুকু কিতাবি হাযা ওয়ানত্বালাকু ইলা আবাদাতিল আওছানি ওয়াল আসনামি, ওয়া ইলা মাই ইয়াযা আমা, ইন্না মা আল্লাহি ইলাহান আখারা লা ইলাহা ইল্লা হুয়া কুল্লু শাইয়িন হালিকুন ইল্লা ওয়াজহাহু লাহুল হুকমু ওয়া ইলাইহি তুরজাউনা তাকলিবুনা হা মীম লা তানছুরুনা হা মীম আইন সীন ক্বাফ, তুকরিকু আ’দাআল্লাহি ওয়া বালাগাত হুজ্জাতুল্লাহি, ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যুল আযীম। ফাসা ইয়াকফিকা হুমুল্লাহু ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম।”

 

কোন বাড়গীতে জ্বিন-ভুত ইত্যাদির উপদ্রব হলে অথবা কারো উপর জ্বিনের আছর হলে উল্লিখিত নামা-শরীফের আমল দ্বারা আল্লাহর ফজলে বাড়ী হতে জ্বিনের উপদ্রব কমে যাবে এবং জ্বিনগ্রস্ত রোগী আরোগ্য লাভ করবে।

নিয়মটি হচ্ছে রাত্রি দ্বি প্রহরের সময় ঘুম হতে জেগে প্রথমে গোছল করবে। তারপর বার রাকায়াত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে নিম্নলিখিত দোয়াটি এক হাজার বার পাঠ করবে।

দোওয়াঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিনিন্নাবিয়্যিল মাবউছি আলাল ইনসি ওয়াল জিন্নি ওয়াল আসওয়াদি ওয়াল আহমারি ওয়াল আসগারি ওয়াল আকবারি সাহিবুল কাওছারি ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।

এরপর একশত একচল্লিশ বার উপরে লিখিত নামা শরীফ পাঠ করে দেশি কালি দ্বারা ঐ নামা শরীফ কাগজে লিখে জ্বিনগ্রস্থ রোগীর বালিশের নিচে একদিন রেখে দিবে। তারপর রোগীকে সঙ্গে ধারন করবে এবং যে বাড়ীতে জ্বিনের উপদ্রব আছে। সে বাড়ীর দেওয়ালে তাবিজটি লটকায়ে রাখবে। উল্লেখ্য যে নাবা শরীফ বিনা আমলে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যাবে।

You may also like...

error: Content is protected !!